একজন শিক্ষকের প্রস্থান, এক অপূরণীয় শূন্যতা
একজন শিক্ষকের প্রস্থান, এক অপূরণীয় শূন্যতা
কখনো কখনো কিছু মৃত্যু এতটাই আকস্মিকভাবে আসে, যা সহজে মেনে নেওয়া যায় না।
জ্যোতির্ময় মণ্ডল (জ্যোতিষ স্যার)—একজন শিক্ষক, যাঁর প্রভাব ছিল অসীম। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
স্যারের সঙ্গে যখনই দেখা হতো, সবসময় হাসিমুখে কথা বলতেন। তাঁর সঙ্গে প্রায়ই কথা হতো। সেই চেনা হাসিমাখা মুখ, আন্তরিক কথোপকথন—সবকিছু যেন এখনো চোখের সামনে ভাসছে। অথচ হঠাৎ করেই তিনি চলে গেলেন না-ফেরার দেশে। খবরটি শোনার পরও যেন বিশ্বাস হতে চায় না, এমন একজন মানুষ আর আমাদের মাঝে নেই!
মৃত্যু কতটা নির্মম, তা হয়তো সবচেয়ে বেশি অনুভব করছে তাঁর পরিবার। রেখে গেছেন প্রায় দুই বছর বয়সী একটি ছেলে ও তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া একটি ছোট্ট মেয়ে। যে বয়সে সন্তানদের বাবার স্নেহ, ভালোবাসা আর হাত ধরে এগিয়ে চলার কথা, সেই বয়সেই তাদের মাথার ওপর থেকে হারিয়ে গেল বাবার ছায়া। এই শূন্যতা কতটা গভীর, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
তিনি কলবাড়ী নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাবু কিরণ্ময় মণ্ডল স্যারের সহোদর ভাই। তাঁর এই অকালপ্রয়াণে শোকাহত পরিবার, স্বজন, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
মানুষ চলে যান, কিন্তু তাঁর স্মৃতি, ভালোবাসা আর কর্মের প্রভাব রয়ে যায় মানুষের হৃদয়ে। জ্যোতিষ স্যারও বেঁচে থাকবেন তাঁর পরিচিত মানুষদের স্মৃতিতে, তাঁর স্নেহধন্য শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে।
গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছি জ্যোতিষ স্যারকে।
বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।